মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়ন

মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

1. মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগ
2. মামলার এজাহারে যা জানা গেছে
3. অভিযুক্তকে যেভাবে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
4. পুলিশের বক্তব্য
5. মামলার বর্তমান অবস্থা

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ফেসবুক মেসেঞ্জারে দীর্ঘদিন ধরে এক নারীকে অশালীন ছবি, ভিডিও ও আপত্তিকর বার্তা পাঠিয়ে মানসিকভাবে হয়রানি এবং কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বগুড়ার আদমদীঘিতে আপন বাদশা (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই মামলায় ওই নারীর ১০ বছর বয়সী কন্যাকে নিপীড়নের অভিযোগও আনা হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে শুক্রবার রাতে নওগাঁ শহরের লর্ড লিটন সেতু এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আপন বাদশা বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের উথরাইল জাহানাবাজ গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে।

মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়ন মামলার এজাহারে যা জানা গেছে

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে এক নারীকে অশালীন ছবি, ভিডিও ও আপত্তিকর বার্তা পাঠিয়ে মানসিকভাবে হয়রানি করতেন। পাশাপাশি অডিও কলে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাবও দিতেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই নারীর ১০ বছর বয়সী কন্যাকে বিভিন্ন সময়ে নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়ন

মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়ন মামলায় অভিযুক্তকে যেভাবে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে নওগাঁ শহরের লর্ড লিটন সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের পর শনিবার সকালে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ জুন দুপুরে সান্তাহার রেলগেট এলাকায় এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ওই নারীকে মারধর করেন এবং লোহার মতো একটি বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি আহত হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একই সময় তার গলায় থাকা প্রায় ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা আহত নারীকে উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় সান্তাহার রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে মাকে হয়রানি ও শিশুকে নিপীড়ন-সংক্রান্ত অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দুলাল উদ্দীন জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পোরশায় ৫ বছরের শিশু নির্যাতন