ময়মনসিংহের নান্দাইলে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার

নান্দাইলে বৃদ্ধাশ্রমের নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ইমাম গ্রেপ্তার

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম রুবেল মিয়ার (৩০) বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বৃদ্ধাশ্রমের এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। একই দিন ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত রুবেল মিয়া নান্দাইল উপজেলার বীর বেতাগৈর ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি স্থানীয় চৈতনখালী এলাকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন।

ধর্ষণের অভিযোগে নান্দাইলের মসজিদের ইমাম রুবেল মিয়া গ্রেপ্তার

 

নান্দাইলে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার ইমাম রুবেল

মাতৃছায়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালক রফিকুল ইসলামের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রুবেল মিয়া প্রায়ই বৃদ্ধাশ্রমে থাকা নারী-পুরুষদের সেবা করতে আসতেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি বৃদ্ধাশ্রমে যান।

অভিযোগ করা হয়েছে, একপর্যায়ে তিনি বৃদ্ধাশ্রমে থাকা এক প্রতিবন্ধী নারীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় ওই নারী চিৎকার শুরু করলে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা অন্যরা এগিয়ে আসেন। পরে তাঁরা অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী নারীর দাবি, অভিযুক্ত ইমাম এর আগেও একাধিকবার তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

একসঙ্গে জিপিএ-৫ পেলেন মা-ছেলে, তানভীরের গোল্ডেন জিপিএ-৫

অন্যদিকে স্থানীয়দের হাতে আটকের পর রুবেল মিয়া ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি বৃদ্ধাশ্রমে থাকা নারী-পুরুষদের সেবা করতে প্রায়ই সেখানে যেতেন। তবে তিনি ওই নারীকে ধর্ষণ করেননি বলে জানান।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ঘটনাটি ধর্ষণচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। পরে ভুক্তভোগী নারী তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে চিকিৎসা প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হবে।

ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তের বক্তব্য এবং মামলার অন্যান্য তথ্য যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে