Copy of News Media Social Media Post - 1

রাণীনগরে টিন কেটে দোকানে চুরি, দেড় লাখ টাকার সিগারেট নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

নওগাঁর বিভিন্ন বাজার এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে টিন কেটে দোকানে চুরি বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিশেষ করে রাতের বেলায় দোকানপাট বন্ধ থাকার সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরচক্র সক্রিয় হয়ে ওঠায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দোকানের তালা ও শাটার নিরাপদ রাখলেও দুর্বৃত্তরা এখন নতুন কৌশল ব্যবহার করছে, যা প্রতিরোধ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগেও বাজার এলাকায় ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটলেও এখন চোরদের কৌশলে পরিবর্তন এসেছে।

তারা সরাসরি দরজা ভাঙার পরিবর্তে দোকানের চাল বা টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করছে।

এতে করে দোকান যতই শক্তভাবে বন্ধ রাখা হোক না কেন, বিকল্প পথ দিয়ে মালামাল চুরি হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই রোববার রাতে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর বাজার চারমাথা এলাকায় বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে।

ওমর সুপার মার্কেটের একটি পাইকারী দোকানে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বাজারজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ও রাণীনগর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাহাজুল ইসলাম জানান, তার ‘মেসার্স সাহাজুল ট্রেডার্স’ নামের দোকানের চালের টিন কেটে ভেতরে ঢোকে চোরেরা।

রাণীনগরে টিন কেটে দোকানে চুরি ঘটনায় ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক

এরপর দোকানে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট নিয়ে যায় তারা। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সকালে দোকান খুলতে গিয়ে ভেতরের এলোমেলো অবস্থা দেখে প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন দোকান মালিক।

পরে চালের টিন কাটা দেখতে পেয়ে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজারের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

অনেকেই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাতের বেলায় বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় চোরচক্র সুযোগ নিচ্ছে।

তারা নিয়মিত পুলিশি টহল, সিসিটিভি নজরদারি এবং বাজার কমিটির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চোরদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

একই সঙ্গে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের জন্যও অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বাড়ানো গেলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

সন্দেহজনক কোনো গতিবিধি দেখা গেলে দ্রুত প্রশাসনকে জানানোও জরুরি।

সব মিলিয়ে, রাণীনগরের এই চুরির ঘটনা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

এখন ব্যবসায়ীরা দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার এবং বাজার এলাকায় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপেক্ষায় রয়েছেন।

SEE MORE>>>

By Borsha