নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোমেশন কার্যক্রম

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগে অটোমেশন সফটওয়্যার চালু

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অটোমেশন সফটওয়্যার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সফটওয়্যারটির উদ্বোধন করেন ড. মোহা. হাছানাত আলী, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. আলাউদ্দিন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. সায়েম বিন সোলায়মান,

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক খোন্দকার শাহরিয়ার রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম মুন্সি এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা তৌফিকুজ জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হিসাব বিভাগের কাজে অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে TallyPrime সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করা হয়েছে।

আধুনিক এই সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ আরও দ্রুত, নির্ভুল এবং সহজভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোমেশন কার্যক্রম , হিসাব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও গতি বাড়ানোর উদ্যোগ

নতুন অটোমেশন ব্যবস্থার আওতায় শিক্ষার্থীদের ফি ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ, হিসাব সংরক্ষণ, আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত, তথ্য অনুসন্ধান এবং নথি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালভাবে পরিচালিত হবে

এর ফলে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি প্রশাসনিক জটিলতাও অনেকাংশে কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সফটওয়্যার উদ্বোধন শেষে উপাচার্য ড. মোহা. হাছানাত আলী বলেন, বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত জরুরি।

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা কেবল কাজের গতি বাড়ায় না, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করে।

তিনি আরও বলেন, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগে অটোমেশন সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে প্রশাসনিক দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

একই সঙ্গে কাগজনির্ভরতা কমবে এবং সেবাগ্রহীতারা স্বল্প সময়ে অধিকতর উন্নত সেবা পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের আশা, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রশাসনিক বিভাগেও এমন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

SEE MORE>>>