মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলা

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় প্রতিবেশী যুবকের মৃত্যুদণ্ড

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার এক প্রতিবেশী যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে জয়পুরহাট জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

দণ্ডপ্রাপ্ত আলম মণ্ডল জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার পালশা গ্রামের বাসিন্দা। আদালতের রায়ের পর মামলাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় আদালতের রায়

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলা: আদালতের রায়ে যা জানা গেল

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর সপ্তম শ্রেণির ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রী মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরে কাপড় পরিবর্তন করছিল। এ সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী আলম মণ্ডল ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে জয়পুরহাটের তৎকালীন আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার দুই দিন পর, ১১ অক্টোবর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আক্কেলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ শুনানিতে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি আলম মণ্ডলকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট ফিরোজ আলী। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট নন্দকিশোর আগরওয়ালা।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফিরোজ আলী বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এমন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা পৌঁছাবে বলে তিনি আশা করেন।

পিতা কর্তৃক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার