বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্পRed and White Dynamic Forest Fires Breaking News Instagram Post - 1

একনেকের দ্বারপ্রান্তে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়েরও সুখবর

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্প টি আগামী সপ্তাহে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
একই সঙ্গে বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
শুক্রবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন,
দেশের উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করতে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে এ খাতে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
একনেকের অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বর নাগাদ এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর মূল নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকল্পটি ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বগুড়া শহরের যানজট নিরসন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রেলপথ উন্নয়নে নতুন চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্প

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্প, ৮৭ কিলোমিটার রেলপথে নির্মাণ হবে সেতু, ওভারপাস ও আধুনিক স্টেশন

প্রাথমিকভাবে বগুড়া শহরের ভেতরে ঢাকার মেট্রোরেলের আদলে উড়াল রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়েছে।
পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার বাসিন্দারা আধুনিক রেলসেবা পাবেন এবং একই সঙ্গে শহরের সড়ক ব্যবস্থাও আরও কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ডুয়েলগেজ রেলপথে করতোয়া ও
ইছামতী নদীর ওপর দুটি বড় সেতু, ২২১টি ছোট-বড় সেতু, একাধিক ওভারপাস, নতুন জংশন এবং বেশ কয়েকটি আধুনিক রেলস্টেশন নির্মাণ করা হবে।
এতে উত্তরাঞ্চলের যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আইন সংশোধনের মাধ্যমে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেখানে বিজ্ঞান, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, বাণিজ্য, প্রকৌশল, কৃষি ও চিকিৎসাসহ সব ধরনের অনুষদ থাকবে।
পাশাপাশি দেশি-বিদেশি গবেষকদের জন্য গবেষণার সুযোগও নিশ্চিত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মতে, দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনা কাটিয়ে শিক্ষা, যোগাযোগ ও শিল্প খাতে বগুড়াকে একটি আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এসব বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

By Borsha