নওগাঁর ধামইরহাটে মায়ের পায়ের রগ কাটার অভিযোগে ছেলে গ্রেফতার নওগাঁর ধামইরহাটে সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার উদ্দেশ্যে বৃদ্ধ মায়ের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগে ছেলে গ্রেফতার ।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! অভিযুক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে মারধর করে পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামি আসাদুজ্জামান শামীম (৩৭) উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বস্তাবর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার মা আনজুমান আরার (৬৭) নামে থাকা জমিজমা নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধা আনজুমান আরার নামে কিছু সম্পত্তি রয়েছে। ওই সম্পত্তি জোরপূর্বক নিজের নামে লিখে নিতে না পেরে আসাদুজ্জামান শামীম বিভিন্ন সময় মায়ের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৭ জুন অভিযুক্ত শামীম তার মায়ের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন আনজুমান আরা। পরে চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেনি নির্যাতন। বৃদ্ধ মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ, ধামইরহাটে ছেলে গ্রেফতার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৪ জুন আবারও মায়ের ওপর হামলা চালান শামীম। এ সময় তিনি ধারালো চাকু দিয়ে তার মায়ের ডান পায়ের রগ কেটে দেন। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবার ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনার পর বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা এমন নৃশংস ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বস্তাবর গ্রাম থেকে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান শামীমকে গ্রেফতার করে। মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, নওগাঁর পুলিশ সুপার, বলেন— পিতামাতার প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। SEE MORE>>> Post navigation নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইতালিতে খুন বাংলাদেশি পরিবারের বাড়ি নোয়াখালী