Red and White Dynamic Forest Fires Breaking News Instagram Post - 1

ধুনটে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবলীগ সভাপতির বাড়ি থেকে ইয়াবা উদ্ধার

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের মাধবডাঙ্গা গ্রামে পরিচালিত এক অভিযানে তার কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধুনট থানার একটি দল উপজেলার মাধবডাঙ্গা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের সময় ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রিপন মিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রিপন মিয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তার স্ত্রী পারুল খাতুনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পরবর্তীতে তার দেহ তল্লাশি ও ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান চালিয়ে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আটক পারুল খাতুনের বয়স ৩৫ বছর। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে অতীতেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে অন্তত চারটি মাদকসংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এছাড়া ২০০৮ সালে মাদকের একটি চালানসহ গ্রেফতার হওয়ার ঘটনাও রয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

মাদক কারবারের অভিযোগে অভিযান, যুবলীগ নেতার স্ত্রীকে গ্রেফতার

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রিপন মিয়া ও তার স্ত্রী একসঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয়ভাবে মাদকসেবীদের কাছে ইয়াবা সরবরাহের অভিযোগের ভিত্তিতেই সর্বশেষ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ধুনট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

পুলিশের দাবি, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পারুল খাতুনকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি রিপন মিয়াকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অনেকেই মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন।

সচেতন মহলের মতে, সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও স্থানীয় জনগণেরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

SEE MORE>>>

By Borsha