ছয় দিন হাজতবাস শেষে জামিনে মুক্ত ‘গরিবের ডাক্তার’ ডা. সামির হোসেন মিশু বগুড়ায় ছয় দিন হাজতবাসের পর জামিন পেয়েছেন ‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত ডা. সামির হোসেন মিশু ।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! সোমবার সকালে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করলে দুপুরে তিনি বগুড়া জেলা কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। তার মুক্তির খবরে ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সোমবার সকালে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ কৌসিক আহমেদ জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে রোববার তার জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ ও স্বজনদের তথ্যমতে, ডা. মিশু বগুড়া মহানগরীর জলেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা এবং প্রয়াত ডা. সাফদার হোসেন-এর ছেলে। তিনি বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ-এর বগুড়া শাখার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে তিনি ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি-তে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত। বগুড়ায় অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার কারণে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ডা. সামির হোসেন মিশু জামিন পেয়েছেন, আদালতের আদেশে কারামুক্তি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তার আলাদা সুনাম রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর মো. আরাফ বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ বহুজনকে আসামি করা হয়। সেই মামলারই একজন আসামি ছিলেন ডা. মিশু। বাদীপক্ষের অভিযোগ ছিল, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আহত এক ব্যক্তিকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন তিনি। তবে ডা. মিশুর আইনজীবী তানজিম আল মেজবা আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন যে, ডা. মিশু কখনোই শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ দায়িত্ব পালন করেননি, ফলে অভিযোগের ভিত্তি দুর্বল। গত ২৩ জুন রাতে শেরপুর উপজেলার রনবীরবালা ঘাটপাড় এলাকায় একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। জামিনে মুক্তির পর তার সমর্থকরা আশা করছেন, তিনি আবারও সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবায় সক্রিয়ভাবে ফিরবেন। SEE MORE>>> Post navigation নওগাঁয় ভাতিজার হাতে চাচা খুন, আটক ৩