৭ লাখ টাকা বকেয়া, রাণীনগর টিটিসির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আবার চালু নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ( টিটিসি )-এর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২০৩ টাকা।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! টানা নয় মাস বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় এই বিপুল বকেয়া জমেছে। বিল পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১। রোববার (২৮ জুন) সকালে বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও বকেয়া বিল পরিশোধ না হওয়ায় রাণীনগর জোনাল অফিস প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এতে টিটিসির কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। জানা গেছে, রাণীনগর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সর্বশেষ ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে। এরপর থেকে টানা নয় মাস কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। ফলে বকেয়ার পরিমাণ ক্রমেই বেড়ে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২০৩ টাকায় পৌঁছায়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন। রাণীনগর টিটিসি -এর বিদ্যুৎ বিল টানা ৯ মাস বিল পরিশোধ না করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবহারিক ক্লাস ও বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শেহাবুল হাসান আর্থিক সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের বাজেট ঘাটতির কারণে সময়মতো বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, আগামী জুলাই মাসে বাজেট বরাদ্দ এলে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হবে। অন্যদিকে মো. আবু হাসান, নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর রাণীনগর জোনাল অফিসের ডিজিএম, বলেন যে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের বকেয়া বিল নিয়ে একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু বিল পরিশোধ না হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হয়েছে। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুরোধে একই দিন বিকালে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয়। পাশাপাশি দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য টিটিসি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দ্রুত বকেয়া পরিশোধের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে। SEE MORE>>> Post navigation জামিনে মুক্ত ‘গরিবের ডাক্তার’ ডা. মিশু