পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে হামলা, নাটোরে আহত ৫ এসএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে স্বস্তি নিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হয়েছিল একদল এসএসসি পরীক্ষার্থী। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, মানসিক চাপ এবং পরীক্ষার উদ্বেগ কাটিয়ে তারা বাড়ি ফিরছিল। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করতে করতেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠে কয়েকজন শিক্ষার্থী। তবে স্বাভাবিক সেই মুহূর্ত হঠাৎ করেই রূপ নেয় আতঙ্কে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরেই দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অভিযোগ রয়েছে, মোবাইলে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে প্রথমে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে সেই বিরোধ ধীরে ধীরে বড় আকার নেয়। রোববার দুপুরে পরীক্ষা শেষ করে কয়েকজন শিক্ষার্থী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিল। তারা নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ করেই একদল শিক্ষার্থী তাদের পথরোধ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা হামলাকারীরা অটোরিকশাটি থামিয়ে দেয়। এরপর কোনো ধরনের কথা না বলেই শুরু হয় হামলা। এলোপাতাড়ি মারধরে রিকশায় থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর হামলা আহত দুই পরীক্ষার্থী ভর্তি নাটোর সদর হাসপাতালে আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধার করে Natore Sadar Hospital-এ ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন সহিংসতা ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক এবং প্রশাসনের আরও নজরদারি প্রয়োজন। ঘটনার খবর পেয়ে Bangladesh Police ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন সহিংসতা বন্ধে পরিবার, শিক্ষক এবং প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবশেষে জানা যায়, নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় পূর্বের বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে অন্তত পাঁচজন এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর হামলা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! স্থানীয়রা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। SEE MORE>>> Post navigation বগুড়ায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩ কিশোরগঞ্জে কুপিয়ে আহত ব্যক্তিকে ফেলে রাখার অভিযোগ, চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যু