রামপুরা হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর রামপুরায় জুলাই আন্দোলনের সময় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করা এবং

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আরও দুইজনকে হত্যার মামলায় পাঁচ আসামির মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন হাবিবুর রহমান-সহ উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা।

রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়টি সরাসরি সম্প্রচার করে বাংলাদেশ টেলিভিশন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ঢাকা মহানগর পুলিশের খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান

এ ছাড়া রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার-কে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে আমির হোসেন হোটেলে কাজ শেষে ঢাকায় থাকা ফুফুর বাসায় ফিরছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া

রামপুরা হত্যা মামলার রায়

রামপুরা হত্যা মামলার রায় ,একজনের যাবজ্জীবন ও আরেকজনের ২০ বছরের কারাদণ্ড

বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কে পুলিশ ও বিজিবির গাড়ি দেখে আতঙ্কিত হয়ে প্রাণ বাঁচাতে পাশের একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবনের ছাদে উঠে যান তিনি।

পরে জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় ভবনের ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যরা তাকে দেখতে পেয়ে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি তিনতলায় পড়ে যান।

তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে প্রথমে বনশ্রীর একটি হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করেন।

এই ঘটনাসহ মোট তিনজনকে হত্যার অভিযোগে পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

আদালতের এই রায়কে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইনজীবীদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বেআইনি বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা দেবে।

SEE MORE>>>