নওগাঁয় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগতারেক রহমান ও মান্নার ছবিতে তোলপাড়, কী হয়েছিল সেদিন? - 1

নওগাঁয় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ: মাদক জড়িত থাকার দাবি ঘিরে আলোচনা

গায়েবে জড়িত থাকার অভিযোগ নিয়ে আলোচনা , সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার কীর্ত্তিপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনার আলী।
স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ওই অভিযানে মোট ৩৮ কেজি গাঁজা এবং ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
তবে মামলার জব্দ তালিকায় মাত্র ২০ কেজি গাঁজা উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় জব্দ তালিকার সাক্ষীদের নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করা দুইজন সাক্ষীর মধ্যে একজন ডিবি পুলিশের দীর্ঘদিনের সোর্স এবং অপরজন তার পরিচিত ব্যক্তি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযানের সময় ওই দুইজন উপস্থিত ছিলেন না, তবুও তারা জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন, যা পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

নওগাঁয় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে গাঁজা ও নগদ টাকার একটি অংশ গায়েবের অভিযোগ উঠেছে  তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে জনগণের আস্থা বজায় থাকে।

অন্যদিকে অভিযানের নেতৃত্বে থাকা এসআই মিনার আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযানে উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ সঠিকভাবে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে এবং পুরো অভিযান ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।
একইভাবে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসিবুল্লাহ হাবিবও দাবি করেন,
অভিযানে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি এবং সবকিছু নিয়ম মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযোগ যদি সঠিকভাবে তদন্ত না করা হয়, তাহলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে।
তাই স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সবশেষে বলা যায়, নওগাঁয় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা গাঁজা ও নগদ টাকা গায়েবের অভিযোগ এখন তদন্তাধীন রয়েছে এবং এর ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে পুরো ঘটনার সত্যতা ও পরবর্তী পদক্ষেপ।

By Borsha