নওগাঁ গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়ন

নওগাঁ সদর দুই ইউনিয়নে আড়াই কিলোমিটার নতুন রাস্তা—দুর্ভোগ পেরিয়ে উন্নয়নের পথে গ্রামাঞ্চল

নওগাঁয় গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়ন ঘিরে উপজেলার বক্তারপুর ও হাপাঁনিয়া ইউনিয়নে হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে ব্যস্ততা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সকাল থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে ছিল কৌতূহল—কী হচ্ছে, কেনইবা এত আয়োজন?

কোথাও দেখা গেছে গ্রামবাসীর ভিড়, কেউ মোবাইলে ধারণ করছেন মুহূর্তগুলো, আবার কেউ অপেক্ষা করছেন নতুন কোনো উন্নয়ন কাজের সূচনা দেখার আশায়।

ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়, এটি কোনো সাধারণ আয়োজন নয়; বরং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন।

এলাকাবাসীর প্রধান সমস্যা ছিল কাঁচা রাস্তা—বর্ষাকালে কাদামাটির কারণে চলাচলে দুর্ভোগ, আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারণে জনজীবন হয়ে উঠত দুর্বিষহ।

এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানেই নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু।

তিনি ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে রাস্তার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এসময় তিনি বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তাই পর্যায়ক্রমে সব ইউনিয়নের রাস্তা উন্নয়নে কাজ করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নওগাঁয় গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়ন করার লক্ষে বক্তারপুর ইউনিয়নে মোক্তারপাড়া পাকা রাস্তার মাথা থেকে স্কুলগামী সড়ক, মসজিদগামী সড়ক এবং হোগলবাড়ি থেকে ঠুটাপাড়া পর্যন্ত মোট প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়ন কাজের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৩ হাজার ৩১ টাকা।

অন্যদিকে, হাপাঁনিয়া ইউনিয়নের ডাফইল দিঘীরপাড়া পাকা রাস্তার মাথা থেকে কাশিবাড়ি পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ১৭২ টাকা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মাহমুদ, বিএমএ সভাপতি ডা. ইসকেন্দার হোসেন,

জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বেলাল এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা।

সবশেষে জানা যায়, মোট আড়াই কিলোমিটার হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) রাস্তার কাজের মাধ্যমে এই দুই ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে বড় ধরনের পরিবর্তন।

স্থানীয়দের আশা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহন হবে দ্রুততর এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে।

এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতোমধ্যে এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে আশাবাদ—গ্রামীণ উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বদলে যাবে পুরো জনপদের চিত্র।

SEE MORE>>>

By Borsha