১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল

জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে নওগাঁয় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ

নওগাঁয় শনিবার বিকেলটি ছিল অন্য দিনের তুলনায় অনেকটাই ব্যতিক্রমী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

দিনের ব্যস্ততা শেষ করে যখন সাধারণ মানুষ ঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। শুরু হয় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শহরের পরিবেশ।

স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নওগাঁর প্রধান সড়কগুলো, যা পথচারীদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের নওজোয়ান মাঠের সামনে থেকে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পথে বিভিন্ন স্থান থেকে আরও নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকরা এতে যোগ দেন।

ফলে মিছিলটি ক্রমেই বড় আকার ধারণ করে। পরে মিছিলটি শহরের মুক্তির মোড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে অনুষ্ঠিত হয় এক প্রতিবাদ সমাবেশ। সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রাকিব, জেলা সেক্রেটারি আ.স.ম সায়েম, এবি পার্টির জেলা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আল হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ,কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিতে নওগাঁর রাজনীতিতে নতুন আলোচনা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি খাতে একের পর এক মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।

তেলের দাম বাড়ার পর গ্যাসের মূল্যও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এর ফলে পরিবহন ব্যয়, শিল্প উৎপাদন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

তারা আরও বলেন, বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য লাগামহীনভাবে বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে।

সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং অনেক পরিবার দৈনন্দিন ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

সমাবেশে নেতারা সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, এসব সিদ্ধান্ত জনস্বার্থের বিপরীতে যাচ্ছে।

তারা দ্রুত জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতে আরও বড় রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

নওগাঁর এই কর্মসূচি ইতোমধ্যেই স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

SEE MORE>>>

By Borsha