অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানRed and White Dynamic Forest Fires Breaking News Instagram Post - 1

গোদাগাড়ীতে তিন দিনের উচ্ছেদ অভিযানে ২০০ অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল সওজ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।
সরকারি জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে পরিচালিত এ অভিযানে একযোগে স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকানপাটসহ বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
এতে সড়ক ও জনপদের জমি পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অভিযানটি শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ঢাকা সড়ক ও জনপদ বিভাগের ল অ্যান্ড স্টেট অফিসার আশরাফুল হক।
দিনব্যাপী এ অভিযানে প্রায় ২০০টি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়, যার মধ্যে দোকানপাট, অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কিছু বসতবাড়িও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এতে পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।
তবে অভিযানের সময় কিছু দখলদার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তাদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে না পারায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
কিছু স্থানে দখলদারদের বাধার মুখেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

তিন দিনে ৫০০টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিকল্পনা

এ বিষয়ে রাজশাহী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন ঝিনুক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য দখলদারদের একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু তারা সরকারি সড়ক ও জনপদের জায়গায় স্থায়ী ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে তুলতে থাকায় বাধ্য হয়ে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, রোববার (পরবর্তী দিন) অভিযান চলবে গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট এলাকায়।
পুরো তিন দিনব্যাপী অভিযানে মোট ৫০০টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারি জমি পুনরুদ্ধার এবং সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের অবৈধ দখলের কারণে সড়ক ব্যবস্থাপনা, যান চলাচল এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল।
এসব সমস্যা সমাধান এবং নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উচ্ছেদ অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, অবৈধ স্থাপনা অপসারণের ফলে এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও আরও উন্নত হবে।

By Borsha