মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগRed and White Dynamic Forest Fires Breaking News Instagram Post - 1

আম কুড়ানোর প্রলোভনে শিশুকে বাড়িতে নিয়ে বলাৎকারের অভিযোগ, গ্রেফতার যুবক

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ মো. রাকিবুল ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অভিযোগের পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১ জুন) উপজেলার বাগবাড়ি এলাকা থেকে অভিযুক্ত রাকিবুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি উপজেলার বেজোড়া উত্তরপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

ভুক্তভোগী শিশু একই এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, শনিবার (৩১ মে) সকাল ১০টার দিকে শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মাঠের কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল।

এ সময় অভিযুক্ত রাকিবুল ইসলাম তাকে আম কুড়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।

সেখানে শিশুটির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে বিষয়টি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

এক পর্যায়ে শিশুটি তার মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে।

এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আইনগত সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হলো অভিযুক্তকে

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর বাবা শাজাহানপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করে।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।

তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্রের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বাগবাড়ি এলাকা থেকে অভিযুক্ত রাকিবুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ ধরনের ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্যাতনের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে।

সচেতন মহল বলছে, শিশুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, তাদের আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন লক্ষ্য করা এবং কোনো অভিযোগকে অবহেলা না করা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে, ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

অনেকেই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্তে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

SEE MORE>>>

By Borsha