জামায়াতের রুকন বহিষ্কার

বগুড়ার ধুনটে জামায়াতের রুকন বহিষ্কার

বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর রুকন মোশাররফ হোসেনের রুকনিয়াত (সদস্যপদ) বাতিল করেছে দলটি। সংগঠনের নীতি ও আদর্শপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা জামায়াত।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শনিবার (১ আগস্ট) রাতে জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক নূর মোহাম্মদ আবু তাহের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতীকী দৃশ্য

জামায়াতের রুকন বহিষ্কার,অভিযোগের বিষয়ে যা জানাল উপজেলা জামায়াত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জামায়াতের রুকন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে। তবে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ধরন বা বিস্তারিত তথ্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

মোশাররফ হোসেন নিমগাছি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর রুকন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে এক নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। পরে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে তিনি ওই নারীকে বিয়ে করার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

ধুনট উপজেলা জামায়াত সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে বগুড়া জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়। পরে ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত জেলা কর্মপরিষদের বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়।

নওগাঁর মান্দা লক্ষ্মীর মোড়ে ঝুঁকিপূর্ণ দুধের হাটে প্রতিদিন লাখ টাকার বেচাকেনা

ওই বৈঠকের সুপারিশের ভিত্তিতে মোশাররফ হোসেনের রুকনিয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে জামায়াতের রুকন বহিষ্কার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর করে তার সঙ্গে সংগঠনের সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে মোশাররফ হোসেনের ব্যক্তিগত বক্তব্য, কর্মকাণ্ড বা যেকোনো কার্যকলাপের দায় জামায়াতে ইসলামী নেবে না।

ধুনট উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল করিম বলেন, সংগঠনের নীতি ও আদর্শপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে নিমগাছি ইউনিয়ন জামায়াতের রুকনের বিরুদ্ধে জেলা কর্মপরিষদের কাছে অভিযোগ পাঠানো হয়েছিল।

তিনি জানান, অভিযোগ পর্যালোচনা করে জেলা কর্মপরিষদ  রুকনিয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। পাশাপাশি সংগঠনের সঙ্গে তার সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে।

জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। অভিযোগের ভিত্তিতে সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।