ধামইরহাটে নারীর মরদেহ

ধামইরহাটে আমবাগান থেকে আগুনে পোড়া নারীর মরদেহ উদ্ধার

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁর ধামইরহাটে নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের তালপুকুর এলাকার একটি আমবাগান থেকে আগুনে পোড়া অবস্থায় ওই নারীর উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের তালপুকুর এলাকার একটি বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নারীর নাম মোছা. মেরিনা। মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে জানা গেছে, তিনি উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের খেলনা দিঘিপাড়া এলাকার হাসানের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি পত্নীতলা উপজেলার শিহাড়া ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামে। বাবার নাম দোজ মুহাম্মদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে তালপুকুর এলাকার একটি আমবাগানে এক নারীর পোড়া মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি জানাজানি হলে তারা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়।

নওগাঁর ধামইরহাটে আগুনে পোড়া নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা

ধামইরহাটে নারীর মরদেহ, জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে জানা গেলো পরিচয়

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাদিউল আলম বাবু। তিনি জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে পুলিশ পৌঁছেছে।

আমবাগানের মধ্যে নারীর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে কৌতূহলও তৈরি হয়েছে।

মরদেহের পাশ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। পরিচয় অনুযায়ী, তিনি ধামইরহাট উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের খেলনা দিঘিপাড়া এলাকার হাসানের স্ত্রী মেরিনা।

তার বাবার বাড়ি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার শিহাড়া ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম দোজ মুহাম্মদ বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

বদলগাছীতে সড়ক প্রশস্তকরণের দাবিতে অবরোধ

মঙ্গলবার বিকেলে তালপুকুর এলাকার আমবাগানে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আলামত সংগ্রহ করে।

এ ঘটনায় কীভাবে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আগুনে পোড়া অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাদিউল আলম বাবু জানান, তিনি ঘটনার খবর পাওয়ার পর বিষয়টি জানতে পারেন এবং সেখানে পুলিশ পৌঁছেছে।

ধামইরহাটে নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পরিচয় জানা গেলেও তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।