বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায়

বগুড়ায় ব্যবসায়ী রাকিবুল হত্যা মামলায় ২ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বগুড়ায় চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী রাকিবুল হাসান হৃদয়কে হত্যার মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার এ রায় ঘোষণা করেন।

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী হৃদয়কে হত্যা, ২ জনের ফাঁসি!

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বগুড়া সদর উপজেলার ধাওয়াপাড়া এলাকার টিয়া মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন (২৩) ও আসলামের ছেলে রাব্বি (২৪)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন একই এলাকার মমতাজের ছেলে আশিক (২২), মনু মিয়ার ছেলে শাকিল (২৩) ও সাফির ছেলে মতিন (২৫)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বগুড়া মহানগরের কৈপাড়া পুকুরপাড় এলাকায় হৃদয়দের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদার দাবিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় চাঁদা না দেওয়ায় দোকানের ভেতরে রাকিবুল হাসান হৃদয়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।

রাকিবুল হাসান হৃদয় হত্যা মামলায় আদালতের রায়

বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায়, মৃত্যুদণ্ড পেলেন সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও রাব্বি

হামলার সময় হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদ ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রাকিবুল হাসান হৃদয়কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর নিহত হৃদয়ের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় চাঁদার দাবিতে হামলা এবং রাকিবুল হাসান হৃদয়কে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।

মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও রাব্বিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর আশিক, শাকিল ও মতিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে আদালত পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। ফলে মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির পাশাপাশি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামিকেও অর্থদণ্ডের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগ, গ্রেপ্তার এনসিপির বহিষ্কৃত নেতা

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যায় কৈপাড়া পুকুরপাড় এলাকায় হৃদয়দের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা চাওয়া হয়। চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সেখানে হামলা চালানো হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হৃদয় গুরুতর আহত হন।

ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসে আহত হন হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদও। পরে হৃদয়কে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর তাঁর মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও রাব্বি এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আশিক, শাকিল ও মতিন—এই পাঁচজনের বিরুদ্ধেই মামলায় ব্যবসায়ী রাকিবুল হাসান হৃদয়কে হত্যার অভিযোগ ছিল।

আদালতের রায়ে বলা সাজা অনুযায়ী, সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও রাব্বিকে মৃত্যুদণ্ড এবং আশিক, শাকিল ও মতিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক আসামির জন্য ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাকিবুল হাসান হৃদয় হত্যার ঘটনাটি ঘটে ২০২১ সালের ২০ জুলাই। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই দিন সন্ধ্যায় বগুড়া মহানগরের কৈপাড়া পুকুরপাড় এলাকায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদার দাবিতে হামলা চালানো হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

হামলার পর গুরুতর আহত হৃদয়কে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় তাঁর বাবা মামুনুর রশিদও আহত হন।

নিহতের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যায়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায় অনুযায়ী, মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।