মান্দায় চাঁদাবাজি, সাইকেল মেকারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি

নওগাঁর মান্দায় সাইকেল মেকারের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁর মান্দায় সাইকেল মেকারের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আল আমিন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইকেল মেকার জলিলকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।

৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে সাইকেল মেকারকে মারধর!

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে নওগাঁ আদালতে সোপর্দ করা হলে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নওগাঁর মান্দায় চাঁদাবাজির মামলায় আল আমিন গ্রেপ্তার

মান্দায় চাঁদাবাজি, চাঁদা না পেয়ে সাইকেল মেকারকে মারধরের অভিযোগ

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মান্দা উপজেলার দেলুয়াবাড়ি বাজারে সাইকেল মেরামতের কাজ করেন জলিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন আল আমিন।

জলিল ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় জলিলের স্ত্রী মিরজান বাদী হয়ে মান্দা থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন

নিয়ামতপুরে এসএসসিতে এক বিষয়ে ফেল, বিষপানে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা

বুধবার সকালে আল আমিনকে নওগাঁ আদালতে পাঠানো হয়। সেখানে মামলার শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মান্দা থানা পুলিশ জানায়, সাইকেল মেকারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলার ভিত্তিতেই আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাইকেল মেকারের কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মান্দায় চাঁদাবাজির অভিযোগে করা এই মামলায় আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগের বিস্তারিত বিষয় তদন্তের মাধ্যমে আরও নিশ্চিত হবে।