দৌলতদিয়া বাস দুর্ঘটনা নিহত ২৬ Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৮ জন শিশু ও ৭ জন পুরুষ রয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল। হঠাৎ বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন পেরিয়ে নদীতে পড়ে যায় এবং দ্রুত তলিয়ে যায়। বাসটিতে ৪০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন সাঁতরে বের হতে পারলেও অধিকাংশ যাত্রী বাসের ভেতরে আটকা পড়েন। ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’-এর সহায়তায় রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে প্রথমে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার আরও ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬ জনে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে এবং ধীরে ধীরে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এদিকে এখনও নিখোঁজদের খোঁজে স্বজনদের আহাজারিতে দুর্ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা এবং উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত উদ্ধার ও সুরক্ষার জন্য একযোগে কাজ করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেরি ও নদী পারাপারের সময় যাত্রীদের সচেতন থাকা এবং গাড়ি চালকদের নিরাপদ ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পদ্মা নদীর মতো ব্যস্ত ও বিপজ্জনক এলাকায় যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা হিসেবে নেওয়া উচিত: ফেরিঘাট এলাকায় গাড়ির পার্কিং ও চলাচল সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহার ও নিরাপত্তা নির্দেশনা মানা। জরুরি উদ্ধার ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর প্রস্তুতি শক্তিশালী করা। নদী পারাপার ও যাত্রী নিরাপত্তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ এর নির্দেশিকা অনুসরণ করা যেতে পারে। SEE MORE>>> নওগাঁর মহাদেবপুরে চোলাই মদ উদ্ধার, পলাতক আসামি Post navigation নওগাঁর মহাদেবপুরে চোলাই মদ উদ্ধার, পলাতক আসামি নওগাঁ সীমান্তে কষ্টি পাথরের দুষ্প্রাপ্য মূর্তি উদ্ধার, পালাল চোরাকারবারী