জয়পুরহাট সরকারি কলেজে প্রবেশ নিষেধ

জয়পুরহাট সরকারি কলেজে মাগরিবের পর প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ

জয়পুরহাট সরকারি কলেজে প্রবেশ নিষেধ কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাগরিবের নামাজের পর সাধারণ জনগণের প্রবেশ ও অবস্থান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে

কলেজ প্রশাসনের এই নির্দেশনা বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ২ এপ্রিল অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাগরিবের নামাজের পর কলেজ ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ এবং অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

এই নিয়ম কার্যকর করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বলা হয়েছে, কেউ যদি অবৈধভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে বা অবস্থান করে, সে ক্ষেত্রে তার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো দায় বহন করবে না।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মিজানুর রহমান জানান, ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার ও স্মৃতিস্তম্ভ থাকায় পূর্বে অনেক বহিরাগত সেখানে এসে সময় কাটাতেন।

এতে গেম খেলা, হৈ-চৈ এবং অপ্রয়োজনীয় জমায়েতের কারণে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হতো।

 ক্যাম্পাসে মেয়েদের হোস্টেল থাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে মাগরিবের পরে সাধারণ মানুষের জয়পুরহাট সরকারি কলেজে প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে ।

 

নিরাপত্তা ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ রয়েছে, কিছু বহিরাগত অশালীন আচরণ এবং নেশাজাতীয় কার্যকলাপে জড়িত ছিল।

এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই কলেজ কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হোস্টেলের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখা এবং সার্বিকভাবে একটি শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা।

প্রশাসন আরও জানিয়েছে, নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর ক্যাম্পাসে নজরদারি বাড়ানো হবে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হবে এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণকে এই নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।

সবশেষে, জয়পুরহাট সরকারি কলেজের এই পদক্ষেপকে অনেকেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

SEE MORE>>>

By Borsha