তারেক রহমান ও মান্নার ছবিতে তোলপাড়, কী হয়েছিল সেদিন? - 1

মহাদেবপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনা :দুই সপ্তাহ পর মৃত্যু।

নওগাঁর মহাদেবপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে আহত আফসানা মিমির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন, অবশেষে হেরে যান। এদিকে এই ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পুলিশ জানায়, সাদ্দাম হোসেন ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন। তবে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর অভিযান আরও জোরদার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন একসাথে। পাশাপাশি তাদের বাড়ি উপজেলার মধ্যবাজার এলাকায় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে কলহ চলছিল বলে জানা গেছে। এছাড়া প্রতিবেশীরা প্রায়ই তাদের ঝগড়া ও উত্তেজনা লক্ষ্য করতেন।

ছোট বিষয় নিয়েও তাদের মধ্যে তর্ক হতো, ফলে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে।এরপর গত ১৬ মার্চ পরিস্থিতি হঠাৎ করেই ভয়াবহ রূপ নেয়। সেদিন রাতেই স্বামী সাদ্দাম হোসেন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন।

আফসানা মিমি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান তখনই তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসেন।

তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন, এবং হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন প্রথমে তাকে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকে পরবর্তীতে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীতে পাঠান।

এরপর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন টানা।

চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, তবুও অবস্থার উন্নতি হয়নি অবশেষে শনিবার রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে, মহাদেবপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনা ঘটার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী আত্মগোপনে চলে যান তবে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে।

অবশেষে শনিবার রাতে বকাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় এরপর তাকে থানায় নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান অন্যদিকে এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তারা দোষীর কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন, এবং সুষ্ঠু তদন্ত চান একই সঙ্গে পরিবারে সহিংসতা রোধে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

SEE MORE>>> https://ngnnews24.com/naogaon-manda-brother-murder-family-conflict/