নওগাঁ শহরে ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নওগাঁয় ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! স্থানীয় ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অভিযোগ উঠেছে, শহরের হরিজন কলোনী, ইদুর বটতলী, শহিদুলের মোড়, কোর্ট চত্বর ও ডিগ্রির মোড় এলাকায় কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ সুদে অর্থ লেনদেন করে আসছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি পরিচিত সমবায় প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। তবে হঠাৎ করেই নানা অনিয়ম প্রকাশ্যে আসতে শুরু করলে আমানতকারী ও ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তাদের জমাকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও হিসাবরক্ষক আঁখি আক্তার অভিযোগ করেন, সমিতির পরিচালক বিদেশে যাওয়ার আগে তিনজনের ওপর প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দিয়ে যান। কিন্তু তিনি বিদেশ যাওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই দুই কর্মচারী পরিকল্পিতভাবে অফিসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। নওগাঁয় ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ , প্রতারণা নিয়ে তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবি তাকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিজেদের দখলে নেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, সমিতির মূল নথিপত্র ব্যবহার করে জাল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে আদালতে দুটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে তাকে সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। অভিযুক্ত রিনা পারভীন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বৈধভাবেই সমিতির দায়িত্ব পালন করছেন। তার দাবি, সমিতির মালিক ফয়সাল হোসেন গ্রাহকদের টাকা নিয়ে বিদেশে চলে গেছেন। এছাড়া তার স্বামী লুৎফর রহমানের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে শাহানাজ বেগম এ বিষয়ে সরাসরি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফোনে সাংবাদিককে হুমকি দিয়েছেন। সমিতির মালিক ফয়সাল হোসেন দাবি করেন, বিদেশে যাওয়ার সময় কর্মচারীদের ওপর দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সুযোগে তারা অফিস দখল করে অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং তার বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে মামলা দায়ের করেন। পরে জানা যায়, প্রায় ৫৫ লাখ টাকার ঋণ ও এফডিআর আত্মসাৎ করে ‘উল্লাস সমাজ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে মোসা. রিনা পারভীন ও মোসা. শাহানাজ বেগমের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের আর্থিক প্রতারণা রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। SEE MORE>>> Post navigation বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে নওগাঁয় র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর ধামইরহাটে চুরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুইজন গ্রেপ্তার, সরঞ্জামসহ উদ্ধার টাকা