নওগাঁয় বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে গ্রেপ্তার

নওগাঁয় রিকশাচালক বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে গ্রেপ্তার, পালানোর সময় আটক

নওগাঁয় বাবাকে হত্যার অভিযোগে তার ছেলে সুমনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

হত্যাকাণ্ডের পর কয়েকদিন আত্মগোপনে থাকার পর ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার সুমন নওগাঁ শহরের বনানীপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং নিহত মাহাতাব সরকারের ছেলে।

ঘটনার পর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও নওগাঁ সদর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে আসছিল।

পুলিশ ও নিহতের পরিবারের দাবি, সুমন কয়েক বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। এ কারণে পরিবারের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত।

প্রায় এক বছর আগে মাদকাসক্তির কারণে তার স্ত্রী সুমা তাকে ছেড়ে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতে চলে যান।

সম্প্রতি তিনি বাড়িতে ফিরে এলে পারিবারিক বিরোধ আবারও তীব্র আকার ধারণ করে।

পুলিশ জানায়, গত রোববার (৫ জুলাই) গভীর রাতে সুমন বাবার কক্ষে গিয়ে শুয়ে পড়েন।

একপর্যায়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে তিনি মাহাতাব সরকারকে ঘর থেকে উঠানে নিয়ে যান।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পুলিশের ,নওগাঁয় বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে গ্রেপ্তার

সেখানে কাঠের বাটাম ও ইট দিয়ে আঘাত করলে মাহাতাব সরকার গুরুতর আহত হন।

পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত সুমন পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে পুলিশ পরদিন সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

হত্যাকাণ্ডের পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নওগাঁ ও বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

পরে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় শহরের সুলতানপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

এদিকে নওগাঁ শহরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

SEE MORE>>>