নাটোর চিনিকলে কোটি টাকার ডাকাতি: ২০ জন গ্রেপ্তার হলেও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার অনিশ্চিত নাটোর চিনিকলে ডাকাতি , নাটোরের শিল্পাঞ্চলে সংঘটিত একের পর এক বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিছু অগ্রগতি দেখালেও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রেখে কোটি টাকার বেশি যন্ত্রপাতি লুটের ঘটনায় গ্রেপ্তার অভিযান চললেও মূল সম্পদ উদ্ধার না হওয়ায় তদন্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। জানা যায়, গত বছরের ৩ আগস্ট রাতে একদল দুর্বৃত্ত নাটোর চিনিকলে প্রবেশ করে ১২ জন নিরাপত্তারক্ষীকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে ফেলে। এরপর তারা চিনিকলের বিভিন্ন বিভাগে তাণ্ডব চালিয়ে প্রায় ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকার যন্ত্রপাতি ও গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও তছনছ করা হয়, যা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ঘটনার পরদিন চিনিকলের সহকারী ব্যবস্থাপক অঞ্জন কুমার রায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার ও আটক করে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ট্রাকচালকসহ একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর কারাগারে পাঠানো হয়। নাটোর চিনিকলে ডাকাতি : ২০ জন গ্রেপ্তার হলেও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার অনিশ্চিত, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন পরে তিনজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। তবে এত অগ্রগতি সত্ত্বেও এখনো লুট হওয়া কোনো মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ডাকাতির সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভাঙারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। বিশেষ করে চুরি হওয়া তামার তারসহ মূল্যবান যন্ত্রাংশ দ্রুত গলিয়ে বা রূপ পরিবর্তন করে বিক্রি করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সিআইডির জেলা পুলিশ সুপার মো. রায়হানুল ইসলাম জানান, মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, লুট হওয়া মালামাল ইতিমধ্যে রূপ পরিবর্তন করা হয়েছে কি না, তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে একই সময়ে বনপাড়ায় পাওয়ার গ্রিডে সংঘটিত আরেকটি ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নাটোর চিনিকল মামলায় এখনো অগ্রগতি না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সব মিলিয়ে, নাটোর চিনিকলে সংঘটিত কোটি টাকার ডাকাতির ঘটনায় ২০ জন গ্রেপ্তার হলেও আট মাস পেরিয়ে গেলেও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় তদন্ত নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। SEE MORE>>> Post navigation রাজশাহী-ঢাকা রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক, সমঝোতায় শেষ হলো মালিক সমিতির বিরোধ নাটোরে ফ্রেন্ডস ক্লাব রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন, অনিয়মের অভিযোগে উত্তেজনা