রাজশাহী জ্বালানি তেল চুরি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দিয়ে জ্বালানি তেল চুরির চেষ্টার অভিযোগ

রাজশাহী জ্বালানি তেল চুরি ফায়ার সার্ভিস সরকারি পদের অপব্যবহার করে  একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যা স্থানীয় প্রশাসনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অভিযোগটি উঠেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর নওহাটা স্টেশনের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার বেলা ১১টার দিকে। নওহাটা ফায়ার স্টেশনের একটি সরকারি গাড়ি হাবিব ফিলিং স্টেশন-এ প্রবেশ করে।

গাড়িতে থাকা সেকেন্ড অফিসার রবিউল আলমসহ চারজন কর্মী পাম্প কর্তৃপক্ষকে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র দেখিয়ে প্রায় ৩০০ লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহের অনুরোধ জানান।

এর মধ্যে ২০০ লিটার পেট্রোল গাড়িতে লোড করা হয়।

তবে অতিরিক্ত আরও ১০০ লিটার অকটেন নেওয়ার সময় পাম্পে দায়িত্বরত পুলিশের সন্দেহ হয়।

সাধারণত ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো এত বড় পরিমাণ জ্বালানি ড্রামে করে ব্যক্তিগতভাবে নেয় না।

এই অস্বাভাবিক কার্যক্রম দেখে পুলিশ বিষয়টি যাচাই করতে এগিয়ে আসে।

পরে এয়ারপোর্ট থানা এর ওসি মাছুমা মুস্তারী ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

রাজশাহী জ্বালানি তেল চুরি ফায়ার সার্ভিস যাচাই করে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট চাহিদাপত্রটি অফিসিয়ালভাবে ইস্যু করা হয়নি।

মূলত সেকেন্ড অফিসার রবিউল আলম ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই জালিয়াতির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে নেওয়া জ্বালানি তেল ফেরত দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি জানাজানি হলে নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ নিরঞ্জন সরকার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, দায়িত্ব দেওয়ার সময় তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, কিন্তু সেই বিশ্বাসের অপব্যবহার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক জানান, পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত চলছে।

সরকারি সম্পদের অপব্যবহার কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

এই ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জনসাধারণের জান-মাল রক্ষার দায়িত্বে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় মানুষের আস্থা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অনেকেই মনে করছেন, শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবে বিষয়টি না দেখে এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত।

সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

SEE MORE>>>https://ngnnews24.com/trishal-shishu-labib-hatya/

By Borsha