রাজশাহী পানির সংকট মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে

রাজশাহী পানির সংকট নিরসনে মানববন্ধন পরিবেশ ও জনজীবনের অস্তিত্ব রক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে অঞ্চলটি দ্রুত মরুকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজশাহীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে পদ্মা নদী আজ শুষ্ক মৌসুমে অনেকাংশে পানিশূন্য হয়ে পড়ছে।

এতে সেচ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষি উৎপাদন ও দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর।

বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে,

যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। আন্দোলনের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ

 নির্বাচনের আগে ঘোষিত উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিতে রাজশাহীর পানিসংকট নিরসনে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের কথা বলা হয়েছিল।

তাই দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। তাদের মতে, এটি শুধু একটি অবকাঠামোগত প্রকল্প নয়, বরং এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ।

মানববন্ধনে বাপা রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ হোসেন এবং রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

তারা বলেন, উত্তর রাজশাহীর সেচ ব্যবস্থা উন্নত করতে উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর ক্যাপিটাল ড্রেজিং অত্যন্ত জরুরি।

এসব উদ্যোগ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এই অঞ্চল মারাত্মক পরিবেশগত সংকটে পড়বে।

এ কর্মসূচিতে রাজশাহী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. জুয়েল কিবরিয়া, গ্রীন ভয়েস-এর রাবেয়া খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মীরা সংহতি প্রকাশ করেন।

তারা একমত হয়ে বলেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে রাজশাহীর সবুজ জনপদ ধীরে ধীরে মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারের নীতিনির্ধারকরা যেন দ্রুত এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এখন দেখার বিষয়, রাজশাহীবাসীর এই আহ্বান কত দ্রুত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিফলিত হয় এবং বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নেয়।

SEE MORE>>>https://ngnnews24.com/bangladesh-airport-development-plan-update-2/

By Borsha