মান্দায় জমি বিরোধে ধানক্ষেতেতারেক রহমান ও মান্নার ছবিতে তোলপাড়, কী হয়েছিল সেদিন? - 1

নওগাঁর মান্দায় জমি বিরোধে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

মান্দায় জমি বিরোধে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ। মান্দায় জমি বিরোধে ধানক্ষেতে এক কৃষকের এক বিঘা জমির রোপণকৃত ধান বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ঘটনাটি ঘটার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল (রবিবার) উপজেলার ১৪ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ভরট্ট শিবনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কৃষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৬০) দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে ছিলেন।

এই বিরোধের কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা ও হুমকি-ধমকির পরিস্থিতি বিরাজ করছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

ভুক্তভোগী কৃষকের দাবি, ঘটনার দিন রাতে পরিকল্পিতভাবে তার ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করা হয়। এতে প্রায় এক বিঘা জমির রোপণকৃত ধান সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়।

তিনি বলেন, এটি তার জীবিকার ওপর বড় ধরনের আঘাত এবং এতে তিনি আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

কৃষকের মতে, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের জের ধরেই প্রতিপক্ষ এই ক্ষতিকর কাজ করেছে।

জমি বিরোধে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগে ধানক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ।

 

অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন—রোস্তম আলী (৪১), খলিল (৩৬), জলিল ইসলাম (৩৩) এবং ফজলু (৪২)।

তারা সবাই ভরট্ট শিবনগর এলাকার বাসিন্দা। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কৃষকের ফসল নষ্ট করা মানে তাদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলা।

এমন ঘটনা বারবার ঘটলে কৃষি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে এ ঘটনায় মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

থানার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানে পারস্পরিক আলোচনা, সালিশ বা আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত।

সহিংস বা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে। তাই এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত এবং ন্যায়সঙ্গত সমাধান প্রয়োজন।

SEE MORE>>>

By Borsha