মান্দায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ছাগল বিতরণ

মান্দায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবার পেল ছাগল ও গৃহনির্মাণ উপকরণ

উপজেলা পরিষদ চত্বরে মঙ্গলবার দুপুরে ব্যতিক্রমধর্মী এক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে মান্দায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারে ছাগল বিতরণ করা হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা, উপকারভোগী পরিবার এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রাণিসম্পদভিত্তিক সহায়তা বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

অনেকের চোখে ছিল নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন, আবার কারও মুখে ফুটে উঠেছিল স্বস্তির হাসি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আখতার জাহান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আয়বর্ধক প্রকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, “সহায়তা নয়, স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই সরকার এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।”

মান্দায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারে ছাগল বিতরণ ও গৃহনির্মাণ উপকরণ বিতরণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সমতলে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত ‘সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলোকে এমন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যা তাদের স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি করতে সহায়তা করবে।

উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিক সংকটে জীবনযাপন করছেন।

অনেক সময় কাজের অভাবে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই সহায়তা তাদের নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে।

তারা মনে করছেন, ছাগল পালন করে নিয়মিত আয় করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে Department of Livestock Services Bangladesh-এর উপজেলা কার্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের উদ্যোগ নিয়মিতভাবে চালু থাকলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারগুলো ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে এবং তাদের জীবনমান উন্নত হবে।

সবশেষে জানা যায়, অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৫টি ছাগল এবং গৃহনির্মাণ উপকরণ বিতরণ করা হয়।

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের প্রতিচ্ছবি।
নিয়মিত এমন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তাদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

SEE MORE>>>

By Borsha