আওয়ামী লীগকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না, মন্তব্য এমপি ফজলে হুদা বাবুলের

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ( এমপি  )ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল এক বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেছেন ,

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না।

তার এ বক্তব্য স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে নওগাঁর মহাদেবপুর থানা পুলিশের নবনির্মিত চারতলা ভবনের ফলক উন্মোচন শেষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জেলা পুলিশের আয়োজনে থানা ভবন মিলনায়তনে ‘কমিউনিটি পুলিশিং’ বিষয়ক এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফজলে হুদা বাবুল বলেন, “আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখন নিষিদ্ধ।

যতদিন এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে, ততদিন তাদের রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের সমর্থকরা এখনও আড্ডা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রসঙ্গে এমপি বাবুল বলেন, ধর্মীয় স্থানগুলোতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম চলা উচিত নয়।

তিনি ইমামদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, মসজিদ কমিটিতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এমপি বাবুল বক্তব্য

থানা ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, এমপি ফজলে হুদার (বাবুল) বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক দলকে “ভারতের বি টিম” হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।

পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মামলা গ্রহণে অর্থ না নেওয়ার জন্য মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুকের প্রশংসা করেন।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুজ্জামান,

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মানজুরা মুশাররফ এবং মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক। এছাড়া উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নবনির্মিত চারতলা থানা ভবনকে ঘিরেও রয়েছে নানা অভিযোগ। জানা গেছে, ২০১৭ সালে গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু হয়।

দুই দফায় এর নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

গত বছরের ২০ মে ভবনটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলেও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের কাজের কারণে ভবনটি দীর্ঘদিন পুরোপুরি ব্যবহার উপযোগী ছিল না।

এমনকি বর্তমানে ভবনটিতে স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগও নেই; পুরোনো ভবন থেকে সংযোগ এনে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়া এবং নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয়ভাবে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

SEE MORE>>>