নওগাঁ হারানো মোবাইল উদ্ধার

হারানো ১০১ মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের দিল নওগাঁ পুলিশ

নওগাঁ জেলা পুলিশের উদ্যোগে উদ্ধার করা ১০১টি হারানো (মিসিং) মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মোবাইলগুলো উদ্ধার করা হয়। হারানো ফোন ফিরে পেয়ে অনেক মালিকই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বুধবার সকালে নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যাচাই-বাছাই শেষে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো সংশ্লিষ্ট মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম-এর প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জুন মাসজুড়ে নওগাঁ জেলা পুলিশের আইসিটি শাখা, ক্রাইম শাখা এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সমন্বিতভাবে বিশেষ অভিযান চালায়।

প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পরবর্তীতে প্রতিটি মোবাইলের প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে সেগুলো ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইসিটি, ক্রাইম ও ডিবি শাখার সমন্বিত অভিযানে নওগাঁ জেলায় হারানো মোবাইল উদ্ধার

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার শতাধিক নারী-পুরুষ এবং শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন আগে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

উপস্থিত ব্যক্তিরা জেলা পুলিশের এ জনসেবামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে মোবাইল ফোন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

মোবাইল ফোনে ব্যক্তিগত, আর্থিক ও নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে। তাই হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারা জেলা পুলিশের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

তিনি আরও বলেন, জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে নওগাঁ জেলা পুলিশ ধারাবাহিকভাবে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কাজ করছে।

ভবিষ্যতেও হারানো মোবাইল উদ্ধারসহ নাগরিক সেবামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশের এ উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

SEE MORE>>>