বগুড়ায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা

বগুড়ায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণে গায়েবানা জানাজা, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন মুসল্লিরা

বগুড়ায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গাবতলী উপজেলার লাঠিগঞ্জ নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিং প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাদ আসর এই ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত জানাজায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আলেম-ওলামা, ইয়াতিমখানার শিশু, অভিভাবক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আরফাতুর রহমান আপেলের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ গায়েবানা জানাজায় ইমামতি করেন মাদ্রাসার অন্ধ হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

ধর্মীয় পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে উপস্থিত মুসল্লিরা জানাজায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণে এ গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, কল্যাণ এবং বিভিন্ন দেশে নির্যাতিত মুসলমানদের নিরাপত্তা ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

জানাজা শেষে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়।

বগুড়ায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা ,কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত

মোনাজাতে দেশ-বিদেশের মুসলমানদের শান্তি, নিরাপত্তা, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

পাশাপাশি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহমর্মিতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আরফাতুর রহমান আপেল বলেন, একজন প্রভাবশালী ইসলামী ব্যক্তিত্বের স্মরণে এবং তার জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনার উদ্দেশ্যে এই গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।

বগুড়ায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজায় অংশ নেওয়া মুসল্লিদের মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ব্যক্তিরা দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

পাশাপাশি সমাজে শান্তি, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এমন কর্মসূচির গুরুত্ব রয়েছে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।

SEE MORE>>>