নওগাঁয় ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযান

নওগাঁয় ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযান, ৭ দফায় জরিমানা ১ লাখ ৮ হাজার

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁয় ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযান চালিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের দায়ে জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নওগাঁ শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. রাশেদের নেতৃত্বে অভিযানে নওগাঁ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসাইন, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

নওগাঁয় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মে ক্লিনিকে অভিযান

নওগাঁয় ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযান, ১২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শাহ মো. রাশেদ জানান, স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত অনিয়ম বন্ধ এবং চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারি বিধিবিধান প্রতিপালন নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানকালে নিউ ন্যাশনাল ক্লিনিক এবং স্কয়ার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া যায়। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স নবায়ন না করা, দৃশ্যমান স্থানে পরীক্ষার মূল্য তালিকা না রাখা এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত রেজিস্টার যথাযথভাবে হালনাগাদ না করার বিষয় উঠে আসে।

এ ছাড়া সাধারণ ও বিপজ্জনক চিকিৎসা বর্জ্য নির্ধারিত কালার কোড অনুযায়ী পৃথক বিনে সংরক্ষণ না করারও প্রমাণ পাওয়া যায়।

নওগাঁয় ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান1

আরও পড়ুন

অপচিকিৎসা বন্ধে পোরশায় কবিরাজ-ওঝাদের নিয়ে সেমিনার

এসব অনিয়মের কারণে দুইটি বেসরকারি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া ও আদায় করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের অভিযানের আগে জুলাই ও আগস্ট মাসে একই আইন ও বিধিমালার আওতায় সদর উপজেলায় আরও ছয়টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১২টি মামলায় ১০টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ৭৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া ও আদায় করা হয়।

ফলে বুধবারের অভিযানসহ গত জুলাই থেকে পরিচালিত সাতটি মোবাইল কোর্ট অভিযানে মোট ১৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১২টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে অর্থদণ্ড আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শাহ মো. রাশেদ বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালন, রোগীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং পরিবেশসম্মতভাবে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।