বদলগাছীতে আদালতের রায় হাতে নিয়েও মাদ্রাসায় প্রবেশ করতে পারেননি অধ্যক্ষ নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন আদালতের রায় হাতে নিয়ে ও মাদ্রাসায় প্রবেশ ও দায়িত্ব পালন করতে না পারার অভিযোগ করেছেন।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! এই ইস্যুতে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। উপজেলার ডাকবাংলো মোড় এলাকার একটি রিসোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেন। পরে তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়া হয় এবং তাকে বরখাস্ত করা হয় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, বরখাস্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাকে স্বীয় পদে যোগদান এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও তা খারিজ হয় এবং হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, আদালতের রায়ের পর মাদ্রাসায় যোগ দিতে গেলে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি নওগাঁর আদালতে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর কয়েকজনকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। বদলগাছী উপজেলায় আদালতের রায় নিয়ে ও মাদ্রাসায় প্রবেশ নিষেধ| ,সংবাদ সম্মেলনে আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, পরবর্তীতেও আদালতের রায়ের কপি নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের সমর্থকেরা তাকে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে দেননি। আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত তা বাস্তবায়ন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ আমান। তিনি বলেন, চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়। তার দাবি, বর্তমান পরিচালনা কমিটি সাবেক অধ্যক্ষের কাছে মাদ্রাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়েছিল। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। তিনি আরও বলেন, সাবেক অধ্যক্ষ মাদ্রাসায় দায়িত্ব নিতে এলে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুল করিমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো তার কাছে কোনো আবেদন বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ আদালতের আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে এলে সেগুলো যাচাই করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। SEE MORE>>> Post navigation নাটোরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার পত্নীতলায় বিশেষ অভিযানে ৬ জুয়াড়ি আটক