নওগাঁর সাংস্কৃতিক বাতিঘর বিন আলী পিন্টু পেলেন একুশে পরিষদের বিশেষ সম্মাননা নওগাঁর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ মোঃ বিন আলী পিন্টুকে একুশে সম্মাননা প্রদান করেছে জেলার ঐতিহ্যবাহী ও প্রগতিশীল সংগঠন ‘একুশে পরিষদ নওগাঁ’।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সমাজ ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) এক অনাড়ম্বর কিন্তু হৃদয়ছোঁয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে ‘সম্মাননা স্মারক’ তুলে দেন একুশে পরিষদ নওগাঁ’র সভাপতি অ্যাডভোকেট ডি.এম আব্দুল বারী। অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মোঃ বিন আলী পিন্টু ১৯৯৪ সালে একুশে উদযাপন পরিষদ (বর্তমানে একুশে পরিষদ নওগাঁ) প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। শুরু থেকেই তিনি শুধু একজন সদস্য হিসেবে নয়, বরং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে তরুণ প্রজন্মকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ১৯৫৮ সালে জন্মগ্রহণ করা বিন আলী পিন্টুর শৈশব কেটেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে। বিন আলী পিন্টুকে একুশে সম্মাননা প্রদান , সমাজসেবায় নতুন অঙ্গীকার। তাঁর পিতা মরহুম আশরাফ আলী ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর এবং মাতা মরহুমা হালিমা বেগম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৭৪ সালে তিনি নওগাঁ জিলা স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং নওগাঁর সমাজে একজন সৎ ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত বিনয়ী, শান্ত এবং সদালাপী মানুষ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি ব্যবসায়িক জীবন থেকে অবসর নিয়ে বই, পত্রিকা ও জ্ঞানচর্চায় সময় কাটাচ্ছেন। সংগঠনের সদস্যরা তাঁকে স্নেহভরে ‘পিন্টু দাদা’ নামে সম্বোধন করেন, যিনি তাদের কাছে একজন অভিভাবক ও অনুপ্রেরণার প্রতীক। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিলন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, বিন আলী পিন্টু শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি একজন অভিভাবকের মতো পথপ্রদর্শক, যার দিকনির্দেশনা বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। সম্মাননা গ্রহণের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বিন আলী পিন্টু বলেন, একুশে পরিষদ তাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই সম্মাননা তাঁকে আরও বেশি করে সমাজসেবা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। স্থানীয় সাংস্কৃতিক মহলের মতে, নওগাঁর সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রায় দীর্ঘদিনের নীরব অবদান রাখা একজন গুণী ব্যক্তিত্বকে এমন স্বীকৃতি প্রদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। SEE MORE>>> Post navigation চারমাথা বাস টার্মিনাল আধুনিকায়নের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নওগাঁ জেলা স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর আয়োজনে শুরু হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’