নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজারে ধস বিক্রি প্রায় শূন্যে নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজার ধস, তেল সংকটে বিক্রিতে বড় প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রভাব এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে পড়তে শুরু করেছে।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজারে দেখা দিয়েছে চরম মন্দা। জ্বালানি তেলের সংকট ও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে সাধারণ মানুষের মোটরসাইকেল কেনার আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। শহরের বিভিন্ন শোরুমে সরেজমিনে দেখা যায়, ক্রেতার উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে ব্যবসায়ীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে দিনে ৭–৮টি মোটরসাইকেল বিক্রি হতো, সেখানে এখন বিক্রি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। একই সঙ্গে সার্ভিসিং সেন্টারগুলোতেও আগের মতো ব্যস্ততা নেই। জেলার অনেক মোটরসাইকেল চালক জানিয়েছেন, তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণে অনেকে তাদের মোটরসাইকেল গ্যারেজে রেখেই দিচ্ছেন। এছাড়া নিয়মিত ব্যবহার কমে যাওয়ায় প্রভাবে নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজার ধস, বিক্রি প্রায় শূন্যে নেমেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নওগাঁ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার নিবন্ধিত মোটরসাইকেল রয়েছে। অন্যদিকে, আননিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যাও প্রায় এক লাখের কাছাকাছি। ১১টি উপজেলায় শতাধিক শোরুম থাকলেও বর্তমানে সবগুলোতেই বিক্রির মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সাধারণত মোটরসাইকেলের বিক্রি বেড়ে যায়। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। শোরুম মালিকদের মতে, তেলের সংকটের কারণে ক্রেতারা নতুন বাইক কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন। একজন ডিলার জানান, ঈদের সময় যেখানে শত শত বাইক বিক্রি হতো, সেখানে এবার বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে শোরুম পরিচালনা ও কর্মচারীদের বেতন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে সার্ভিসিং সেন্টারগুলোতেও কাজ কমে গেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন বহু গাড়ি সার্ভিসিংয়ে আসতো, এখন তা কয়েকটিতে নেমে এসেছে। গ্রাহকরা তেল সংকটের কারণে যানবাহন কম ব্যবহার করছেন। বিআরটিএ কর্মকর্তারা মনে করছেন, লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন ছাড়া তেল না দেওয়ার নিয়মের কারণে ভবিষ্যতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সংকট চলতে থাকলে বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে। সবশেষে, ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজারে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। এ কারণে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে এই খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে। SEE MORE>>>https://ngnnews24.com/nator-moyna-juddho-dibos-palito/ Post navigation নাটোরে ময়না যুদ্ধ দিবস পালিত, স্মরণে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দোয়া দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, ৩৮ শিশুর মৃত্যু; ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ