নাটোর ময়না যুদ্ধ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে নাটোর ময়না যুদ্ধ দিবস গৌরবময় অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ময়না যুদ্ধ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! দিবসটি উপলক্ষে ময়না স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্মরণ সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শহীদ বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবির হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। লালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশীদ পাপ্পুর সভাপতিত্বে আয়োজিত স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন শহীদ পরিবারের সন্তান অধ্যাপক ইদ্রিস আলী মোল্লা এবং অধ্যাপক এ কে এম আব্দুস সবুর। বক্তারা বলেন, ময়না যুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা জোগাবে। ময়না যুদ্ধের ইতিহাস স্মরণ করে বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় অপারেশন সার্চলাইট শুরুর পর সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। সেই সময় রাজশাহীর দিকে অগ্রসর হওয়া একটি সেনাদল নাটোরের ময়না গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সাধারণ মানুষের এই সাহসী প্রতিরোধে অন্তত ৪০ জন শহীদ হন। স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানি সেনারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে মেজর খাদেম হোসেন রাজাসহ কয়েকজন সেনা আটক হলে উত্তেজিত জনতা তাদের হত্যা করে। এই ঘটনা নাটোরের ইতিহাসে প্রথম সরাসরি প্রতিরোধ যুদ্ধ হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ময়না যুদ্ধ দিবস তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিলে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। উপস্থিত বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এই ইতিহাস নতুন প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয় এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ শহীদ বীরদের স্মরণে একত্রিত হন। তারা বলেন, ময়না যুদ্ধের ঘটনা প্রমাণ করে যে, সাধারণ জনগণও ঐক্যবদ্ধ হলে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। ময়না যুদ্ধ দিবস কেবল একটি স্মরণ অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি স্বাধীনতার চেতনা, ত্যাগ এবং সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। নাটোরের এই আয়োজন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে জীবন্ত রাখার পাশাপাশি দেশপ্রেমের মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। SEE MORE>>>https://ngnnews24.com/bagmara-fuel-stock-raid-mobile-court-fine/ Post navigation বাগমারায় মুদির দোকানে গোপনে জ্বালানি তেল মজুত, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজারে ধস, তেল সংকটে বিক্রি প্রায় শূন্য