নওগাঁ স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ফাইনাল, উঠতি ক্রীড়াবিদদের মিলনমেলা নওগাঁ জেলা স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা, সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল দর্শক, অভিভাবক, খেলোয়াড় এবং ক্রীড়াপ্রেমীদের সরব উপস্থিতি। কিশোর-কিশোরীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলাগুলো দিনভর দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলা। দিনের শুরুতেই আটটি ইভেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বালকদের কাবাডি বিভাগে সাপাহার উপজেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পোরশা উপজেলা। বালিকাদের কাবাডিতে মান্দা উপজেলাকে পরাজিত করে সদর উপজেলা শিরোপা জয় করে। ফুটবল ইভেন্টেও ছিল ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। বালকদের ফুটবলে আত্রাই উপজেলাকে হারিয়ে সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। অন্যদিকে বালিকাদের ফুটবলে পোরশা উপজেলাকে হারিয়ে ধামইরহাট উপজেলা শিরোপা জিতে নেয়। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ফাইনাল অনুষ্ঠান, প্রশাসন ও ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি ক্রিকেটেও উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপভোগ করেন দর্শকরা। বালকদের ক্রিকেটে ধামইরহাট উপজেলাকে হারিয়ে মান্দা উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া বালিকাদের ক্রিকেটে রাণীনগর উপজেলাকে পরাজিত করে পত্নীতলা উপজেলা বিজয়ী হয়। এছাড়াও অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, মার্শাল আর্ট, দাবা এবং সাঁতার প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। বিকেলে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে মেডেল, ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক টি.এম.এ. মমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদসহ জেলা ক্রীড়া অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, তরুণদের মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা ক্রীড়া অফিসার আরিফুজ্জামান জানান, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিযোগীরা জেলা পর্যায়ে অংশ নেয় এবং এখানকার বিজয়ীরা পরবর্তীতে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন এবং নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। SEE MORE>>> Post navigation ফেনীতে ধর্ষণ মামলায় এক মাস কারাবাসের পর নির্দোষ প্রমাণিত ইমাম মোজাফফর, ডিএনএ রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর মোড়