পত্নীতলায় মরদেহ উদ্ধার, তিন দিন পর মিলল নিখোঁজ বাবুলের লাশ

পত্নীতলায় রাস্তার ধারে অর্ধগলিত অবস্থায় নিখোঁজ বাবুলের মরদেহ উদ্ধার

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁর পত্নীতলায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের ফহিমপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় বাবুল নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

 

পত্নীতলার ফহিমপুরে রাস্তার ধারে অর্ধগলিত মরদেহ

পত্নীতলায় মরদেহ উদ্ধার , মৃত্যুর কারণ অজানা

নিহত বাবুল উপজেলার পদ্ম পুকুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত তিন দিন ধরে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যে বুধবার ফহিমপুর এলাকায় রাস্তার পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পায় পুলিশ। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তার ধারে মরদেহ পড়ে থাকার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হতে থাকেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে মরদেহ উদ্ধারের কাজ সম্পন্ন করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মরদেহটি পদ্ম পুকুর গ্রামের নিখোঁজ বাবুলের বলে জানা গেছে। তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পত্নীতলায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবুলের মৃত্যু স্বাভাবিক , দুর্ঘটনা কিংবা অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। মরদেহ উদ্ধারের পর বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বাবুল তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করা হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফহিমপুর এলাকায় রাস্তার পাশে মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর সেখানে গিয়ে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন

আমের মৌসুম শেষ, তবু সাপাহারে জমজমাট কাটিমনের বাজার

মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়ায় কতক্ষণ ধরে সেটি সেখানে পড়ে ছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে তিনি কীভাবে সেখানে পৌঁছালেন বা তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে কোনো ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে। এ জন্য মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হলেও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং তদন্তের পর বাবুলের মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।

তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর রাস্তার ধারে অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবুলের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর পেছনে কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।