রাজশাহী জেলা প্রশাসকের অভিযান তেল বাজার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার

রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব নগরী গড়ার লক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের অভিযান |

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি রাজশাহীকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল এবং জনবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন।

গত ২ এপ্রিল দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজার ব্যবস্থাপনা ও জনদুর্ভোগ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে পবা উপজেলার কাঁটাখালী পৌর বাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন।

এই অভিযানের মাধ্যমে তিনি জানান দেন যে, শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জেলা প্রশাসক স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন যে, রাজশাহীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সরকারি সংস্থার অসম্পূর্ণ কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা বর্জ্য ও অপরিষ্কার পরিবেশ নগরবাসীর ভোগান্তির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা সমাধানে প্রশাসন এখন সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।

এ সময় স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসকের শহর উন্নয়ন অভিযানে নজর ছিল বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট, বিশেষ করে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণে।

শনিবার ভোর ৬টায় দুর্গাপুরের আলী বাজার এলাকায় তেলের অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এই অভিযানে মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যা বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময়ে সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে ভর্তুকি প্রদান করছে।

তাই কোনো অসাধু চক্রকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি জেলার প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে অবৈধ মজুতদারি, বাজার সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পণ্যের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারে।

নতুন জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগ রাজশাহীর সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের সমন্বিত পদক্ষেপ ভবিষ্যতে রাজশাহীকে একটি আরও উন্নত ও

সুপরিকল্পিত নগরীতে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

SEE MORE>>>https://ngnnews24.com/bangladesh-measles-outbreak-rajshahi-kushtia-deaths/

By Borsha