সাপাহারে গ্রাম পুলিশের মরদেহ উদ্ধার, রাতে নিখোঁজ ছিলেন রুবেল

সাপাহারে রাতে নিখোঁজ গ্রাম পুলিশের সকালে আমবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রাতে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর নওগাঁর সাপাহারে গ্রাম পুলিশের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রুবেল হক (২৬) নামে ওই গ্রাম পুলিশের ঝুলন্ত মরদেহ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোয়ালা ইউনিয়নের কদমডাঙ্গা গ্রামের একটি আমবাগান থেকে উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুবেল হক কদমডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি গোয়ালা ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রুবেল বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাতে আর বাড়িতে ফেরেননি তিনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

রাতে রুবেল বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন। তবে রাতের মধ্যে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

রাতে নিখোঁজের পর সাপাহারে রুবেল হকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সাপাহারে গ্রাম পুলিশের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্ত, আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন

বুধবার সকালে কদমডাঙ্গা গ্রামের একটি আমবাগানে গাছের সঙ্গে রুবেলের মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে সাপাহার থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে রুবেল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন

বগুড়ায় গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী-শ্বশুর গ্রেপ্তার

রুবেল হক গোয়ালা ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার এমন মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে রুবেল হকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তবে রুবেল হকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।