নওগাঁ এলএসডি শ্রমিক নির্বাচন

নওগাঁ এলএসডি খাদ্য গুদামে উৎসবমুখর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন

নওগাঁ এলএসডি শ্রমিক নির্বাচন  প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো শ্রমিক ইউনিয়নের এক উৎসবমুখর নির্বাচন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শুক্রবার সকাল থেকেই গুদাম এলাকায় ছিল ভিন্ন এক পরিবেশ।

স্বাভাবিক কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি শ্রমিকদের মধ্যে দেখা যায় বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা, দলবদ্ধ আলোচনা ও আনন্দঘন উপস্থিতি।

পুরো এলাকা যেন এক গণতান্ত্রিক উৎসবের রূপ নেয়। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির বিপরীতে মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ প্রায় প্রতিটি পদেই ছিল সরাসরি প্রতিযোগিতা, যা নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

মোট ৮৯ জন ভোটারের সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এতে দেখা যায়, গোলাপফুল প্রতীকে ৪৫ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন নুর ইসলাম চাম্পা।

অন্যদিকে মাছ প্রতীকে ৬৬ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মো. মিঠু মন্ডল।

নওগাঁ এলএসডি শ্রমিক নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বে ছিলেন অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা।

সহ-সভাপতি, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এছাড়া সদস্য পদে মো. হোসেন আলী, উজ্জ্বল হোসেন, মো. আব্দুল হোসেন ও মো. বিদ্যুৎ হোসেন নির্বাচিত হন।

নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন মাস্টার আজিজুর রহমান ও মো. আবু বক্কর সিদ্দিক।

সার্বিক তদারকিতে ছিলেন এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ।

প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন নওগাঁ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. জিল্লুর রহমান।

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অভিযোগ ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তারা বলেন, শ্রমিকদের ঐক্য ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নওগাঁ জেলা সরকারি এলএসডি খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এই নির্বাচন শ্রমিকদের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এ ধরনের সুষ্ঠু নির্বাচন শ্রমিক সংগঠনের প্রতি আস্থা আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভবিষ্যতে এমন গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

শ্রমিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

SEE MORE>>>

By Borsha