পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, দুই ডাম্প ট্রাকে আগুন রাজশাহীর পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতা দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার সকালে পুঠিয়া উপজেলার Biraldah Mazar area-এর সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আকরাম (আনুমানিক ৬০)। তিনি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন দরজি ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি ওই এলাকায় একটি টেইলারের দোকান পরিচালনা করতেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাতটার দিকে নাশতা শেষে আকরাম রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় পুঠিয়াবাজার থেকে নাটোরের দিকে যাওয়া দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাক দ্রুতগতিতে আসছিল। এর মধ্যে একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে প্রায় অনেক দূর পর্যন্ত হিঁচড়ে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা মহাসড়ক অবরোধ করে এবং দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, পুলিশের হস্তক্ষেপ ও স্থানীয়দের দাবি উত্থাপন মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এ সময় কিছু লোক ভিডিও ধারণ করলেও উত্তেজিত জনতা তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে এবং পরে সেগুলো আগুনে ফেলে দেয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। বহু যানবাহন আটকে পড়ে এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। খবর পেয়ে Puthia Police Station-এর ওসি ফরিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তবে শুরুতে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়, যার মধ্যে ছিল দিনের বেলায় ডাম্প ট্রাক চলাচল সীমিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্পিডব্রেকার স্থাপন। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এদিকে Fire Service and Civil Defence Bangladesh-এর রাজশাহী অফিসের উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে শুরুতে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা হয়। স্থানীয়রা মনে করছেন, মহাসড়কে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ না করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও ঘটতে পারে। তাই তারা সড়কে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। সবশেষে জানা যায়, নাশতা শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় বালুবাহী ট্রাক চাপা দিয়ে দরজি আকরাম নিহত হন, যার জেরে বিক্ষুব্ধ জনতা দুই ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মহাসড়কে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। SEE MORE>>> Post navigation নওগাঁর মান্দা লক্ষ্মীর মোড়ে ঝুঁকিপূর্ণ দুধের হাটে প্রতিদিন লাখ টাকার বেচাকেনা নওগাঁয় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, কিন্তু দাম কমে লোকসানের শঙ্কায় কৃষক