বদলগাছীতে স্বামী ও সন্তানের স্বীকৃতি দাবি করে নারীর সংবাদ সম্মেলন নওগাঁর বদলগাছীতে স্বামী ও সন্তানের স্বীকৃতি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তা পারভীন নামে এক নারী।Thank you for reading this post, don't forget to subscribe! শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার দাম্পত্য জীবন, সম্পর্কের জটিলতা এবং বর্তমান দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তা পারভীন জানান, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাতশাইল গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ–এর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরিচয়ের পর সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয় এবং একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি। মুক্তার অভিযোগ অনুযায়ী, সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করলে ২০১৮ সালের ৮ জুন ৪ হাজার ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক তার প্রথম স্ত্রীকে বিষয়টি গোপন রেখে নওগাঁ শহরে একটি বাসা ভাড়া নেন এবং সেখানে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করেন। তিনি আরও দাবি করেন, মোস্তাক আহমেদের পরামর্শে তিনি তার প্রথম স্বামীকে তালাক দেন। বদলগাছীতে স্বীকৃতি দাবি ,প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভরণপোষণ বন্ধ ও সম্পর্ক অস্বীকারের অভিযোগ পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে পুনরায় তাদের বিয়ের কাবিন সম্পন্ন হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়, যার নাম কানিজ ফাতেমা মৃমৃ। মুক্তা পারভীনের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে মোস্তাক আহমেদ তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং ভরণপোষণও দিচ্ছেন না। ফলে তিনি ও তার সন্তান চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “আমার স্বামী যদি আমাকে ও আমার সন্তানকে অস্বীকার করেন, তাহলে আমার সামনে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।” অন্যদিকে অভিযুক্ত মোস্তাক আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার না করে বলেন, তিনি নিয়মিত ভরণপোষণ দিয়ে আসছেন। তার দাবি, প্রথম স্ত্রী রেবেকা সুলতানা তাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় পারিবারিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। SEE MORE>>> Post navigation রাণীনগরে রাস্তার ইট তুলে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ভোগান্তিতে শতাধিক পরিবার মান্দায় মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন